আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিঃ কুরআন ও বিভিন্ন পৌরাণিক মতবাদের তুলনা

বৈজ্ঞানিক অসামাঞ্জস্য বিষয়ক অভিযোগের জবাব



 নাস্তিক প্রশ্নঃ বিগ ব্যাং তত্ত্বানুসারে, এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে শক্তি ব্যতিত কোন ধরণের ম্যাটারেরই অস্তিত্ব ছিল না। ফলে, আকাশ আর পৃথিবী মিশে ছিল যা পরবর্তীতে আলাদা করে দেওয়া হল(Quran 21:30)-এটা দিয়ে কোনভাবেই বিগ ব্যাং কে ব্যাখ্যা করা যায় না! তবে মুসলিমরা কেন এমন হাস্যকর দাবি করে থাকে?

প্রকৃতপক্ষে প্যাগানসহ মধ্যপ্রাচ্যের অনেক গোত্রের উপকথা এবং লোককথাতেই আকাশ আর পৃথিবী মিশে থাকার হরেক রকমের দেব-দেবী দিয়ে পৃথক করার কথা বলা ছিল যা প্রবেশ করেছে কুরআনের বাণীতে!

 

উত্তরঃ কুরআনুল কারিমে বলা হয়েছেঃ

 

أَوَلَمْ يَرَ الَّذِينَ كَفَرُوا أَنَّ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ كَانَتَا رَتْقًا فَفَتَقْنَاهُمَا ۖ وَجَعَلْنَا مِنَ الْمَاءِ كُلَّ شَيْءٍ حَيٍّ ۖ أَفَلَا يُؤْمِنُونَ

অর্থঃ “ যারা কুফরী(অবিশ্বাস) করে তারা কি দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমিন/পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে, তারপর আমি[আল্লাহ] উভয়কে পৃথক করে দিলাম; এবং প্রাণবান সব কিছু সৃষ্টি করলাম পানি থেকে; তবুও কি তারা ঈমান আনবে না? ” [1]

 

সাহাবী ইবন আব্বাস(রা) বলেনঃ প্রথমে পৃথিবী ও আসমান মিলিত ও সংযুক্ত ছিল। তবে এটা তো প্রকাশমান যে তাতে অন্ধকার ছিল। [2]

 

অভিযোগকারীরা দাবি করেন যে কুরআনে পৃথিবীর সৃষ্টির যে তত্ত্ব দেওয়া হয়েছে তা বিভিন্ন প্রাচীন প্যাগান (পৌত্তলিক) জাতিগোষ্ঠীর লোককথা ও উপকথা দ্বারা প্রভাবিত। চলুন দেখি, বিভিন্ন প্রাচীন পৌত্তলিক জাতিগোষ্ঠী আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টিতত্ত্ব নিয়ে কী বিশ্বাস রাখত।

 

প্রাচীন ব্যাবিলনবাসীর কাছে দেবতাশ্রেষ্ঠ ছিল বেলমারদুক(Bel-Marduck)। তাদের বিশ্বাস ছিল বেলমারদুক এই মহাবিশ্বের স্রষ্টা। এই দেবতাশ্রেষ্ঠকে তিয়ামাত (Tiamat) নামের এক অশুভ শক্তির ড্রাগন যুদ্ধের আহ্বান করে। যুদ্ধে তিয়ামাত পরাজিত হয়। বেলমারদুক এই ড্রাগনকে কেটে দুই ভাগ করে এক অংশ দ্বারা সৃষ্টি করে আকাশ আর আরেক অংশ দ্বারা সৃষ্টি করে পৃথিবী। [3]

 

সিল্ক রোড দিয়ে বানিজ্যিক কারণে যাতায়াতের জন্য প্রাচীনকাল থেকেই মিসরীয়দের ধর্মবিশ্বাস আশপাশের অঞ্চলগুলোকে প্রভাবিত করেছে। প্রাচীন মিসরীয়দের পৌরাণিক কাহিনী অনুযায়ী পৃথিবীর উৎপত্তি ঘটে আদি সমুদ্র ‘নু’(Nu) থেকে। আদিতে ছিল অন্ধকার, সেখান থেকে বিভিন্ন বিশৃঙ্খলার মধ্য দিয়ে বেন বেন নামক আদি পাহাড়ের সৃষ্টি হয়। এর উপর দাঁড়িয়ে থাকতেন দেবশ্রেষ্ঠ ‘আটুম’। মিসরীয়দের ছিল এমন সব বিচিত্র পৌরাণিক কাহিনী। [4]

 

আরবের নিকটেই গ্রীস অবস্থিত। বিভিন্ন সভ্যতায় গ্রীকদের দর্শনের ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। সৃষ্টিতত্ত্ব সম্পর্কে গ্রীকদের বিশ্বাস ছিল—আদিতে ছিল অন্ধকার। সে অন্ধকারের মধ্যে ছিল শুধু কালো পাখা বিশিষ্ট এক পাখি, যার নাম নাইক্স(Nyx)। পাখিটি একটি ডিম পাড়ে এবং দীর্ঘকাল ধরে ডিমে তা দেয়। শেষ পর্যন্ত ঐ ডিমে জীবনের সঞ্চার হয় এবং তা থেকে উত্থান হয় ভালোবাসার দেবতা এরোস(Eros) এর। ডিমের খোলসের অর্ধেক ঊর্ধ্বে চলে যায়, যা থেকে গঠিত হয় আকাশ, আর বাকি অংশ পরিনত হয় পৃথিবীতে। [5]

 

মধ্যপ্রাচ্যে আরবদের প্রতিবেশি ছিল ইহুদি জাতি। তাদের হিব্রু পৌরাণিক কাহিণীগুলোতে বলা আছে— সদাপ্রভু ঈশ্বরের(YHWH Elohim) নির্দেশে আদি সমুদ্র তেহোম দুই ভাগ হয়ে যায়, এক ভাগ উপরে উঠে যায় এবং স্বর্গরাজ্য সৃষ্টি করে। অন্যভাগ নিচে পৃথিবী গঠন করে। উপরের ভাগকে বলা হয় ঊর্ধজল (Superior Water) এবং নিচের ভাগকে বলা হয় নিম্নজল (Inferior Water)।ঊর্ধ্বজল ও নিম্নজল আলাদা হয়ে আকাশ তৈরি হল যার গঠন হল একটি গোলাকার গম্বুজের মত। আকাশের নিম্নস্থ পানি একস্থানে সংগৃহিত হয়ে স্থলভাগ গঠিত হল। [6]

আকাশ যেমন খুটির দ্বারা দাঁড় করানো, পৃথিবীও তেমনি খুটি দ্বারা দাঁড় করানো আছে। ঈশ্বর ক্রুদ্ধ হলে আকাশের সেই খুঁটিগুলো কাঁপে। [7] পৃথিবী স্থির, নিশ্চল। একে নাড়ানো সম্ভব নয়। [8]

ইহুদিদের এই বিশ্বাসগুলো খ্রিষ্টানরাও গ্রহন করেছে। বাইবেলের পুরাতন নিয়ম(Old Testament) অংশের বইগুলো ইহুদিদের তানাখ(Tanakh) থেকে নেওয়া। এই বইগুলো ইহুদি ও খ্রিষ্টান উভয় সম্প্রদায়ের ধর্মগ্রন্থ।

 

এইসব পৌরাণিক কাহিনীগুলোর সাথে কুরআনের সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনী মিলিয়ে দেখলে কেউ কি আদৌ কোন মিল খুঁজে পাবে? অভিযোগকারীদের দাবি কুরআনের কাহিনী ঐসব দেবদেবীদের কাহিনী থেকে নেয়া, অথচ কুরআনে সব থেকে বেশি যে বিষয়টিতে গুরুত্ব দেয় তা হচ্ছে- তাওহিদ বা একত্ববাদ; আল্লাহ ছাড়া কোন সত্য উপাস্য নেই। আর ঐসব পৌরাণিক দেব-দেবীর কাহিনীতে কুরআনের ন্যায় আকাশ ও পৃথিবী পৃথক করবার কোন কাহিনীই দেখা যাচ্ছে না। কুরআন এই সকল মিথ্যা দেব-দেবীকে অস্বীকার করে। ব্যাবিলনীয়, মিসরীয়, গ্রীক এইসব পৌত্তলিক জাতির সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনীগুলো আমরা দেখলাম। কিন্তু কুরআনের সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনীর সাথে এগুলোর রয়েছে যোজন যোজন পার্থক্য। ঐ জাতিগোষ্ঠীগুলোর মধ্যে একমাত্র ইহুদিরা ছিল একেশ্বরবাদী। কিন্তু তাদের পৌরাণিক কাহিনীর সাথেও কুরআনের কাহিনীর আছে ব্যাপক পার্থক্য। ইহুদিদের কিতাবের ন্যায় কুরআন কোথাও সমুদ্র থেকে আসমান ও পৃথিবী সৃষ্টির কথা বলেনি, কুরআন কখনো বলেনি যে জলভাগের উপরিভাগ আসমান আর নিচের ভাগ পৃথিবী। কুরআন কখনো বলেনি যে আকাশ গম্বুজের মত। কুরআন পৃথিবীর কোন খুঁটির কথা বলেনি, আর আকাশ যে খুঁটি ছাড়া সৃষ্টি হয়েছে কুরআন তা সরাসরি বলেছে [কুরআন, রা’দ ১৩:১-২; এখান থেকে দেখুন]। কুরআন ইহুদিদের কিতাবের ন্যায় পৃথিবীকে স্থির বলেনি, বরং পৃথিবী যে ঘূর্ণায়মান সে ইঙ্গিত দিয়েছে [কুরআন, আম্বিয়া ২১:৩৩; এখান থেকে দেখুন]।

যদিও ঐসব জাতিগোষ্ঠীর দ্বারা আরবদের প্রভাবিত হবার মত যথেষ্ট সম্ভাবনা ছিল, তারপরেও দেখা যাচ্ছে যে কুরআনের সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনীর সাথে তাদের পৌরাণিক কাহিনীর কোন মিলই নেই।এ থেকে প্রমাণিত হচ্ছে যে কুরআনের সৃষ্টিতত্ত্বের কাহিনী তাদের থেকে নেওয়া হয়নি, কুরআন মোটেও মানুষের দ্বারা প্রভাবিত নয়, বরং এর উৎস ভিন্ন।

 

আকাশ ও পৃথিবী মিশে থাকার কুরআনের বক্তব্য থেকে অভিযোগকারীরা তাত্ত্বিক ত্রুটি বের করার চেষ্টা করেছে। তারা বলেছে- “বিগ ব্যাং তত্ত্বানুসারে, এই মহাবিশ্ব সৃষ্টির মুহূর্তে শক্তি ব্যতিত কোন ধরণের ম্যাটারেরই অস্তিত্ব ছিল না”। কিন্তু ঐ আয়াতে যে সেই মুহূর্তটির কথাই বলা হচ্ছে তা তাদেরকে কে বলল?

বর্তমান বিজ্ঞান পৃথিবীর বাহ্যিক ও আভ্যন্তরীণ সৃষ্টি নিয়ে স্পষ্ট করে বলেছে যে, পৃথিবী সুদীর্ঘকাল মেঘাচ্ছন্ন ধোঁয়া ছিল। তা ছিল অধিক ঘনত্ববিশিষ্ট এবং উষ্ণ গ্যাসের সমষ্টি। [9]

 

এগুলো পৃথিবী সৃষ্টির মৌলিক উপাদানসমূহের মধ্যকার একটি বলে আধুনিক বিজ্ঞান নিশ্চিত করেছে। আধুনিক বিজ্ঞানীরা উক্ত ধোঁয়া বা গ্যাসীয় অবস্থা থেকে সৃষ্ট নতুন নতুন তারকা দেখতে পান। (দেখুন ১ ও ২ নং চিত্র)

 

চিত্র-১ : চিত্রে গ্যাস ও ধুলোবালি (Nebula) থেকে উৎপাদিত নতুন তারকা দেখা যাচ্ছে যা আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টির উপাদান উক্ত ধোঁয়ার অংশ। (The Space Atlas, Heather and Henbest, পৃষ্ঠা-৫০)

 

চিত্র-২ : মেঘের লেক (The lagoon nebula); সেটা গ্যাস ও ধুলাবালির মেঘ। এর ব্যাস ৬০ আলোকবর্ষ। উচ্চতাপ সম্পন্ন তারকার অতি বেগুনী রংয়ের রশ্মি বিকিরণের ফলে এটি উত্তেজিত হয়। সম্প্রতি গবেষণায় তা প্রমাণিত হয়েছে। (Horizons, Exploring The Universe, Seeds, plate 9, from Association of Universities for Research In Astronomy, Inc )

 

রাত্রে যে তারকা দেখা যায় তা আগে উক্ত ধোঁয়া বা গ্যাসীয় অবস্থার অংশ ছিল। অর্থাৎ ধোঁয়া থেকেই এগুলোর উৎপত্তি হয়েছে। আল্লাহ তা‘আলা বলেন:

ثُمَّ اسْتَوَىٰ إِلَى السَّمَاءِ وَهِيَ دُخَانٌ

অর্থাৎ “অতঃপর তিনি আকাশের দিকে মনোযোগ দিলেন যা ছিল ধুম্রকুঞ্জ। ...” [10]

 

পৃথিবীর আকাশে সূর্য, চন্দ্র, তারকারাজি ও নক্ষত্র যেগুলোকে আমরা দেখি তার সবকিছুই ধোঁয়া বা গ্যাসীয় অবস্থা থেকে তৈরি হয়েছে। অতএব, আমাদের এ কথা বলতে দ্বিধা নেই যে, আকাশ ও পৃথিবীর সবকিছুই পূর্বে একটি মাত্র বস্তু ছিল তারপর এগুলোকে সৃষ্টি করা হয়েছে। উক্ত ধোঁয়ার বাইরে একটি অপরটি থেকে পৃথক হয়ে গেছে। এই ধাপের কথাটি কুরআনের পাতায় উঠে এসেছে---

“যারা কুফরী(অবিশ্বাস) করে তারা কি দেখে না যে, আসমানসমূহ ও যমিন/পৃথিবী মিশে ছিল ওতপ্রোতভাবে, তারপর আমি[আল্লাহ] উভয়কে পৃথক করে দিলাম; ...“ (আম্বিয়া ২১:৩০)

 

স্বল্প জ্ঞানের “বিজ্ঞানমনষ্ক”(?) অভিযোগকারীরা ঐ আয়াত থেকে বৈজ্ঞানিক ভুল খোঁজার চেষ্টা করলেও অনেক জ্ঞানীজন কিন্তু ওখানে কোন বৈজ্ঞানিক ভুল পাননি, বরং পেয়েছেন বৈজ্ঞানিক মিরাকল। সেই সাথে মেনে নিয়েছেন কুরআনের অসাধারাণত্ব।

 

বিশ্ববিখ্যাত ভূ-তত্ত্ববিদ ও জার্মানির জোহানেস-গুটেনবার্গ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূতত্ত্ব বিভাগের বিভাগীয় প্রধান আলফ্রেড ক্রোনার বলেন: “আমরা চিন্তা করি— মুহাম্মাদ(ﷺ)এর নিকট কোথা থেকে এ সব বিষয়ের জ্ঞান এসেছে? আমি নিশ্চিত যে, পৃথিবী সৃষ্টির এ মৌলিক বিষয়ের খবর জানা তাঁর পক্ষে ছিল অসম্ভব। কেননা, অল্প কিছুদিন আগে অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমেই বিজ্ঞানীরা এগুলো সম্বন্ধে জানতে সক্ষম হয়েছে।” [11]

তিনি আরও বলেন: “চৌদ্দ শ বছর আগে যে মানুষটি পারমাণবিক পদার্থ সম্বন্ধে জানত না তার পক্ষে নিজের চিন্তাকে কাজে লাগিয়ে এ কথা বলা সম্ভব নয় যে, আকাশ ও পৃথিবী মূলত একই পদার্থ থেকে সৃষ্টি হয়েছে।” [12]

 

আল কুরআনে সুরা আম্বিয়ার ৩০নং আয়াতের প্রথমাংশে মহাবিশ্ব সৃষ্টি এবং পানি দ্বারা সকল প্রাণবান বস্তু সৃষ্টি সম্পর্কে অসাধারণ বৈজ্ঞানিক তথ্য উপস্থাপন করা হয়েছে এবং শেষাংশে প্রশ্ন করা হয়েছে---“তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?”

একই প্রশ্ন আমাদেরও—“তবুও কি তারা ঈমান আনবে না?”

 

 তথ্যসূত্রঃ

[1]  আল কুরআন, আম্বিয়া ২১:৩০

[2]  তাবারী ১৮/৪৩৩; তাফসির ইবন কাসির, ৫ম খণ্ড(হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী), সুরা আম্বিয়ার ৩০ নং আয়াতের তাফসির, পৃষ্ঠা ৩৩২

[3]  The story of our Earth – Richard Carrington

[4]  ▪ “Ancient Egyptian Mythology - Ancient History Encyclopedia”

http://www.ancient.eu/Egyptian_Mythology/

 ▪ “Egyptian Creation Myths”

http://www.egyptartsite.com/crea.html

[5]  “Creation Myths – Greek Creation Myth”

http://dept.cs.williams.edu/~lindsey/myths/myths_16.html

[6]  আদিপুস্তক(Genesis) ১:১-১৯; লিঙ্কঃ https://goo.gl/ni1ai2 (বাংলা বাইবেল) https://goo.gl/mz2xu9 (ইংরেজি বাইবেল) https://goo.gl/c8kxkd (ইহুদি Tanakh)

[7]  ▪ইয়োব/আইয়ুব(Job) ৯:৬; লিঙ্কঃ https://goo.gl/bTxYDD (বাংলা বাইবেল) https://goo.gl/n2tBjG (ইংরেজি বাইবেল) https://goo.gl/oE6usm (ইহুদি Tanakh)

▪ ইয়োব/আইয়ুব(Job) ২৬:১১; লিঙ্কঃ https://goo.gl/nkYurD (বাংলা বাইবেল) https://goo.gl/h9pbnk (ইংরেজি বাইবেল) https://goo.gl/CohJdq (ইহুদি Tanakh)

▪গীতসংহিতা/সামসঙ্গীত/ জবুর শরীফ (Psalms) ৭৫:৩;

লিঙ্কঃ https://goo.gl/ykgCVg (বাংলা বাইবেল) https://goo.gl/EXdQYu (ইংরেজি বাইবেল) https://goo.gl/N1svkb (ইহুদি Tanakh, Tehillim 75:4)

[8]  ▪ গীতসংহিতা/সামসঙ্গীত/ জবুর শরীফ (Psalms) ৯৩:১;

লিঙ্কঃ https://goo.gl/ZTP4Yo (বাংলা বাইবেল) https://goo.gl/8zZt3o (ইংরেজি বাইবেল) https://goo.gl/t8G5zn (ইহুদি Tanakh)

▪ গীতসংহিতা/সামসঙ্গীত/জবুর শরীফ(Psalms) ১০৪:৫;

লিঙ্কঃ https://goo.gl/ZFCQzu (বাংলা বাইবেল) https://goo.gl/8fmtSp (ইংরেজি বাইবেল) https://goo.gl/EBmQA8 (ইহুদি Tanakh)

[9]  The First Three Minutes, a Modern View of the Origin of the Universe, Weinberg, p. 94-105.

[10]  আল কুরআন, হা মীম সাজদাহ(ফুসলিলাত) ৪১: ১১

[11]  ▪ ‘This is the Truth’ [এটাই সত্য] নামক ভিডিও ডকুমেন্টারি থেকে সংগৃহীত। এই ভিডিও ডকুমেন্টারিসহ প্রফেসর আলফ্রেড ক্রোনারের মতামতসমূহ দেখার জন্য http://www.islam-guide.com/truth.htm ভিজিট করুন।

“ইসলামের সচিত্র গাইড”; লেখক : আই. এ. ইবরাহীম; অনুবাদ: মুহাম্মাদ ইসমাঈল জবীহুল্লাহ

[12]  ঐ