যদি কখনো বাংলাদেশে ভূমিকম্প হয়, তাহলে নাস্তিকরা বলা শুরু করে - মানুষের পাপের কারণেই যদি ভূমিকম্প আসে, তাহলে অমুসলিমদের দেশে কেন এমন ভূমিকম্প হয় না? ইসলাম অনুযায়ী তারা তো বেশি পাপী!
এর উত্তরে আমরা বলবঃ আল্লাহ অবশ্যই কাউকে শাস্তি দেবার ইচ্ছা করলে প্রাকৃতিক দুর্যোগ দিয়ে আঘাত করতে পারেন। কিন্তু স্রেফ আজাব হিসেবেই প্রাকৃতিক দুর্যোগ হয় এই ধারণা সঠিক নয়। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কারো জন্য পরীক্ষা হতে পারে, আজাবও হতে পারে। এখানে কোনটা আল্লাহর আজাব আর কোনটা আল্লাহর পরীক্ষা বা কোনটা অন্য বিষয় তা আল্লাহর নিকট থেকে ওহীর মাধ্যমে বলতে পারতেন নবী-রাসুলগণ (আ.)। কিন্তু ওহীর জ্ঞান ব্যতিত কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ দেখলেই ঢালাওভাবে “আল্লাহর আজাব” বলা সঠিক নয়। [1]
"ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প এগুলো হওয়া মানেই কি আল্লাহর গজব হচ্ছে?_শায়খ আহমাদুল্লাহ" (YouTube)
“ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেই এটাকে আল্লাহর আযাব বলা কতটা সঠিক?” -শায়খ আহমাদুল্লাহ (YouTube)
আল্লাহ তা’আলা এই বিশ্বজগতকে কিছু নিয়মের অধীনে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহর ইচ্ছায় যেখানেই টেকটোনিক প্লেটের সংঘর্ষ হয়, সেখানেই ভূমিকম্প হয়। সেখানে মুসলিম বাস করুক আর অমুসলিম বাস করুক। আজকে যদি সব মুসলিম সেখান থেকে সরে যায় এবং হিন্দুরা গিয়ে সেখানে থাকা শুরু করে, তখন টেকটোনিক প্লেটের অবস্থানের রদলবদল হয় না। ঝড়-জলোচ্ছ্বাস এগুলোর দ্বারা মুসলিম-অমুসলিম সবাই আক্রান্ত হয়। আল্লাহ তাঁর বানানো মহাবিশ্বের নিয়ম, পদার্থ বিজ্ঞানের আইন মুসলিমদের জন্য আলাদা করে তৈরি করেননি। এমনকি আল্লাহর সৃষ্ট প্রাকৃতিক কারণে অন্যান্য গ্রহেও ভূমিকম্প হয় যেসব স্থানে মানুষই বসবাস করে না। সেখানে তো কাউকে পরীক্ষা করা বা শাস্তি দেবার কিছুই নেই। তবে হ্যাঁ, আল্লাহ যদি প্রাকৃতিক কোনো ঘটনা দ্বারা কাউকে শাস্তি দিতে চান কিংবা রক্ষা করতে চান - সেক্ষেত্রে ভিন্ন কথা। আল্লাহ ইচ্ছা করলে বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প এসব দুর্যোগ দ্বারা মুসলিম বা অমুসলিম যে কাউকে শাস্তি দিতে পারেন বা পরীক্ষা নিতে পারেন। আল্লাহ যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেন আর যাকে ইচ্ছা রক্ষা করেন। একবার ভূমিকম্প হলে উমার(রা.) আশঙ্কা করেছিলেন মানুষের পাপের কারণে আল্লাহ এর দ্বারা শাস্তি দিচ্ছেন। [2] একটি হাদিসে মুহাম্মাদ(ﷺ) এর উম্মতের শাস্তি হিসেবে ভূমিকম্পের কথা উল্লেখ আছে। [3]
বঙ্গীয় ইসলামবিরোধীরা অভিযোগ করে, অনেক অমুসলিম দেশে ভূমিকম্প হলেও তাদের ক্ষতি কম হয় আর মুমিন-মুসলিমদের কেন বেশি ক্ষতি হয়?
এই কথা ডাহা মিথ্যা।
আমরা যদি ১৯০০ সাল থেকে আজ অবধি বড় ভূমিকম্পগুলোর পরিসংখ্যান দেখি, তাহলে লক্ষ করব এর মাঝে মুসলিম ও অমুসলিম উভয় দেশই আছে। [4] ভূমিকম্প হলে মুসলিম-অমুসলিম উভয়েরই ক্ষতি হয়েছে। এটা সত্য যে অনেক অমুসলিম দেশ আছে যেখানে কম ভূমিকম্প হয়, অথবা ভূমিকম্প হলেও কম ক্ষতি হয়। একই কথা অনেক মুসলিম দেশের জন্যও সত্য। ২০১৫ সালে নেপালে ভয়াবহ ভূমিকম্পে যেমন ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, ২০২৩ সালে তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্পেও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়। বাংলাদেশের মতো ঘনবসতিপূর্ণ মুসলিম দেশে ভূমিকম্পের ঝুঁকি বেশি, আবার মধ্যপ্রাচ্যের অনেক কম ঘনবসতির মুসলিম দেশে এই ঝুঁকি খুব কম।
নাস্তিক-মুক্তমনারা দাবি করে যে ভূমিকম্পের ব্যাপারে ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গী নাকি "বিজ্ঞানের সাথে সাংঘর্ষিক"। এর উত্তর প্রদানের জন্য আমরা ভূমিকম্পের কারণ সম্পর্কে শরয়ী ও বৈজ্ঞানিক উভয় দৃষ্টিভঙ্গী নিয়েই আলোচনা করব।
আধুনিক বিজ্ঞান বলে, ভূমিকম্পের প্রধান কারণ হলো পৃথিবীর ভূত্বক বা লিথোস্ফিয়ার অংশে অবস্থিত টেকটোনিক প্লেটগুলোর নড়াচড়া ও সংঘর্ষ। পৃথিবীর উপরিভাগ কয়েকটি বিশাল টেকটোনিক প্লেট দ্বারা গঠিত, যা ম্যান্টলের (ভূ-অভ্যন্তরের গলিত ও অর্ধগলিত অংশ) উপর ধীরে ধীরে ভাসমান অবস্থায় থাকে। এই প্লেটগুলো একে অপরের সাথে ক্রমাগত নড়াচড়া করে, কিন্তু ঘর্ষণের কারণে প্রায়শই প্লেটের প্রান্তগুলো একে অপরের সাথে আটকে যায়। প্লেটগুলো আটকে গেলেও তাদের নড়াচাড়ার গতিশক্তি থেমে থাকে না, ফলে আটকে থাকা অংশে চাপ বা শক্তি জমা হতে থাকে। যখন এই সঞ্চিত চাপ শিলার ধারণক্ষমতাকে ছাড়িয়ে যায়, তখন হঠাৎ করে শিলা ভেঙে যায় এবং প্লেটগুলো একে অপরের পাশ দিয়ে দ্রুত পিছলে যায়। শক্তির এই আকস্মিক মুক্তির ফলে ভূগর্ভে তরঙ্গের সৃষ্টি হয়, যা পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্য দিয়ে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভূমিতে কম্পন তৈরি করে। এই কম্পনই আমরা ভূমিকম্প হিসেবে অনুভব করি।
আর ভূমিকম্প বা যে কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণ সম্পর্কে শরয়ী দৃষ্টিভঙ্গী হল - "আল্লাহ তাআলার অনুমতি ছাড়া আবহাওয়া পরিবর্তন, বালির ঝড় এবং ভূমিকম্প কিছুই হয় না। এগুলো মানুষের পাপের কারণে শাস্তি হতে পারে, অথবা কেবল সতর্কবাণী হতে পারে। এগুলো তাঁর পক্ষ থেকে পরীক্ষাও হতে পারে, কিংবা এর পেছনে এমন কোনো যুক্তি থাকতে পারে যা আমরা জানি না, কিন্তু সর্বশক্তিমান আল্লাহ অবশ্যই তা জানেন।" [5]
এখানে বৈজ্ঞানিক ও শরয়ী কারণগুলো আপাতভাবে সাংঘর্ষিক মনে হলেও এখানে বাস্তবে সাংঘর্ষিক কিছুই নেই।
আল্লাহই ভূমিকম্প ও অন্যান্য বিপর্যয়ের স্রষ্টা এবং নিয়ন্ত্রক। কারণ তিনিই সেই উপাদান ও কারণগুলো—যেমন চাপ, তাপমাত্রা, এবং টেকটোনিক প্লেটগুলোর মধ্যে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকা টান—এসবের আদেশ করেন ও নিয়ন্ত্রণ করেন, যার ফলে শেষ পর্যন্ত ভূমিকম্প ঘটে। [6] আল্লাহ এর দ্বারা যাকে ইচ্ছা আক্রান্ত করেন, যাকে ইচ্ছা নিস্তার দেন। আল্লাহ ইচ্ছা করলেই কারো গুনাহের জন্য এই প্রাকৃতিক কারণগুলো বৃদ্ধি করে দিতে পারেন, আবার কারো তাওবাহর দ্বারা এই প্রাকৃতিক কারণগুলো হ্রাস করে দিতে পারেন।
এ প্রসঙ্গে আমরা আরো বলতে পারিঃ
"মহান আল্লাহ পৃথিবীতে চলমান রীতির ব্যত্যয় ভাল বা মন্দ কিছু করতে চাইলে, তার জন্য নিজস্ব ক্ষমতাবলে প্রথমে উক্ত কর্মের জন্য উপযুক্ত পরিবেশ তৈরি করে নেন। উদাহরণ স্বরূপ আল্লাহ কোথাও বৃষ্টি বর্ষণ করতে ইচ্ছা করলে আগেই সেখানে নিজস্ব প্রক্রিয়ায় মেঘের সমাগম ঘটান তথা বৃষ্টির উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টি করেন। যখন বৃষ্টির একটা উপযুক্ত পরিবেশ তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়, তখনই যান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় আবহাওয়া দপ্তর তার পূর্বাভাস দিতে পারে এবং দিয়েও থাকে। কিন্তু উপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টির আগ পর্যন্ত সে সম্পর্কে পৃথিবীর কারো পক্ষে কিছুই বলা সম্ভব হয় না। অনুরূপ কোথাও যখন আল্লাহ ভূমিকম্প সৃষ্টি করতে চান, তখন সেখানকার ভূগর্ভস্থ মাটি বা শিলা স্তরে আল্লাহ নিজস্ব প্রক্রিয়ায় ভূমিকম্পের উপযোগী পরিবর্তন আনয়ন করেন। আর তখনি তা ভূতত্ত্ববিদদের নযর বা যন্ত্রে ধরা পড়ে। ফলে তাদের ক্ষুদ্র জ্ঞানে ভূমিকম্পের ব্যাখ্যা ঐ পরিবর্তিত পরিস্থিতির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। সুতরাং ভূমিকম্প সংক্রান্ত বিষয়ে বৈজ্ঞানিক ও শরী‘আতের মধ্যে প্রকৃতপক্ষে তথ্যগত কোন বৈপরীত্য নেই।" [7]
একটা বিষয় আপনাকে মাথায় রাখতে হবে- আল্লাহ্ যদি মুসলিম দেশগুলোকে সবরকম প্রাকৃতিক দুর্যোগ থেকে বাঁচিয়ে রাখতেন তাহলে কারও কোন সন্দেহ থাকতো না আল্লাহর সম্পর্কে। তখন আর পরীক্ষা বলে কিছু থাকতো না।
এ ছাড়া আল কুরআন বা হাদিসে মোটেও এ কথা বলা হয়নি যে মুসলিমদের দুনিয়ার জীবনে কোন পরীক্ষা করা হবে না বা বিপদ দেয়া হবে না। বরং উল্টোটিই কুরআন ও হাদিসে বলা আছে।
( 2 ) أَحَسِبَ النَّاسُ أَن يُتْرَكُوا أَن يَقُولُوا آمَنَّا وَهُمْ لَا يُفْتَنُونَ
( 3 ) وَلَقَدْ فَتَنَّا الَّذِينَ مِن قَبْلِهِمْ ۖ فَلَيَعْلَمَنَّ اللَّهُ الَّذِينَ صَدَقُوا وَلَيَعْلَمَنَّ الْكَاذِبِينَ
অর্থঃ“মানুষ কি মনে করে যে, তারা একথা বলেই অব্যাহতি পেয়ে যাবে যে, “আমরা বিশ্বাস করি”; এবং তাদেরকে পরীক্ষা করা হবে না? আমি তাদেরকেও পরীক্ষা করেছি, যারা তাদের পূর্বে ছিল। আল্লাহ অবশ্যই জেনে নেবেন যারা সত্যবাদী এবং নিশ্চয়ই জেনে নেবেন মিথ্যুকদেরকে।” [8]
( 155 ) وَلَنَبْلُوَنَّكُم بِشَيْءٍ مِّنَ الْخَوْفِ وَالْجُوعِ وَنَقْصٍ مِّنَ الْأَمْوَالِ وَالْأَنفُسِ وَالثَّمَرَاتِ ۗ وَبَشِّرِ الصَّابِرِينَ
( 156 ) الَّذِينَ إِذَا أَصَابَتْهُم مُّصِيبَةٌ قَالُوا إِنَّا لِلَّهِ وَإِنَّا إِلَيْهِ رَاجِعُونَ
( 157 ) أُولَٰئِكَ عَلَيْهِمْ صَلَوَاتٌ مِّن رَّبِّهِمْ وَرَحْمَةٌ ۖ وَأُولَٰئِكَ هُمُ الْمُهْتَدُونَ
অর্থঃ "এবং অবশ্যই আমি তোমাদেরকে পরীক্ষা করব কিছুটা ভয়, ক্ষুধা, মাল ও জানের ক্ষতি ও ফল-ফসল বিনষ্টের মাধ্যমে। তবে সুসংবাদ দাও ধৈর্য্যশীলদের। যখন তারা বিপদে পতিত হয়, তখন বলে – “নিশ্চয়ই আমরা সবাই আল্লাহর জন্য এবং আমরা সবাই তাঁরই কাছে ফিরে যাবো।” তারাই হচ্ছে সে সমস্ত লোক, যাদের প্রতি আল্লাহর অফুরন্ত অনুগ্রহ ও রহমত রয়েছে এবং এসব লোকই সুপথপ্রাপ্ত। " [9]
দুনিয়ার জীবনের কষ্ট ও দুর্ভোগ মুমিনদের জন্য চূড়ান্তভাবে কল্যাণ নিয়ে আসে।
( 5 ) فَإِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
( 6 ) إِنَّ مَعَ الْعُسْرِ يُسْرًا
অর্থঃ "নিশ্চয় কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে। অবশ্যই কষ্টের সাথে স্বস্তি রয়েছে।" [10]
عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا يُصِيبُ الْمُسْلِمَ مِنْ نَصَبٍ وَلاَ وَصَبٍ وَلاَ هَمٍّ وَلاَ حُزْنٍ وَلاَ أَذًى وَلاَ غَمٍّ حَتّٰى الشَّوْكَةِ يُشَاكُهَا إِلاَّ كَفَّرَ اللهُ بِهَا مِنْ خَطَايَاهُ.
অর্থঃ আবূ সা’ঈদ খুদরী ও আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, নবী ﷺ বলেছেনঃ “মুসলিম ব্যক্তির উপর যে কষ্ট ক্লেশ, রোগ-ব্যাধি, উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা, দুশ্চিন্তা, কষ্ট ও পেরেশানী আসে, এমনকি যে কাঁটা তার দেহে ফুটে, এ সবের মাধ্যমে আল্লাহ তার গুনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন।” [11]
ভূমিকম্প বা ঝড়-বন্যা ইত্যদি সকলই আমাদের জন্য সতর্কবার্তা। আমাদের উচিত হবে গুনাহ থেকে ফিরে আসা, আল্লাহর নিকট ক্ষমাপ্রার্থনা করা ও দুনিয়া ও আখিরাতের যাবতীয় আজাব থেকে মহান আল্লাহর নিকট নিস্তার চাওয়া। একই সঙ্গে প্রাকৃতিক দুর্যোগের দৃশ্যমান বিপদ থেকে সতর্কতা অবলম্বন করা। যেমনঃ ঝড়ের পূর্বে উপকূলের মানুষদের সতর্ক করা, নিরাপদ আশ্রয়ের ব্যবস্থা করা, বিল্ডিং কোড মেনে বাড়ি তৈরি করা, ভূমিকম্প হলে করণীয় বিষয় সম্পর্কে প্রস্তুতি নেয়া ইত্যাদি।
তথ্যসূত্রঃ
[1] দেখুনঃ
"ঝড়, বন্যা, জলোচ্ছ্বাস, ভূমিকম্প এগুলো হওয়া মানেই কি আল্লাহর গজব হচ্ছে?_শায়খ আহমাদুল্লাহ" (YouTube)
“ভূমিকম্প বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ হলেই এটাকে আল্লাহর আযাব বলা কতটা সঠিক?” -শায়খ আহমাদুল্লাহ (YouTube)
[2] ফাওয়াইদুল কালাম : ১৪০, ইবনুল কায়্যিম(র.) প্রণীত ‘আদদা' ওয়াদদাওয়া' : ৫৩-এর সূত্রে;
আমিরুল মুমিনিন উমর ইবনুল খাত্তাব (১ম খণ্ড) - ড. আলী মুহাম্মদ আস সাল্লাবী; পৃষ্ঠা ৩৭২
[3] عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: أُمَّتِي هَذِهِ أُمَّةٌ مَرْحُومَةٌ، لَيْسَ عَلَيْهَا عَذَابٌ فِي الْآخِرَةِ، عَذَابُهَا فِي الدُّنْيَا الْفِتَنُ، وَالزَّلَازِلُ، وَالْقَتْلُ
অর্থঃ “আবূ মূসা (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেনঃ আমার এ উম্মত দয়াপ্রাপ্ত, পরকালে এদের কোনো শাস্তি হবে না, আর ইহকালে তাদের শাস্তি হলো ফিত্বনাসমূহ, ভূমিকম্প ও যুদ্ধ বিগ্রহ।”
সুনান আবু দাউদ (তাহকিককৃত) ৪২৭৮ (সহীহ)
[4] Number of earthquakes, by country 2016_ Statista
https://www.statista.com/statistics/269648/number-of-earthquakes-by-country/?
অথবা https://archive.is/wip/teKR7 (আর্কাইভকৃত)
List of deadly earthquakes since 1900 - Wikipedia
https://en.wikipedia.org/wiki/List_of_deadly_earthquakes_since_1900
অথবা https://archive.is/wip/EH1ZK (আর্কাইভকৃত)
[5] সূত্রঃ "The reasons for storms and earthquakes" (Islamweb)
www.islamweb.net/en/fatwa/30088/
অথবা https://archive.is/wip/BpNGW (আর্কাইভকৃত)
আরো দেখুনঃ
প্রশ্নোত্তর বিভাগ, মাসিক আত-তাহরীক, নভেম্বর ২০২৩, প্রশ্ন (২২/৬২)
www.at-tahreek.com/article_details/11736
অথবা https://archive.is/wip/k0a66 (আর্কাইভকৃত)
[6] সুত্রঃ "Understanding Earthquakes and Other Disasters: An Islamic Perspective" - Dr. Abū Wāʾil Musa Shaleem
www.troid.org/understanding-earthquakes-and-other-disasters-an-islamic-perspective/
অথবা https://archive.is/wip/ozm1a (আর্কাইভকৃত)
[7] "মৃদু ভূকম্পন বড় ভূমিকম্পের এলাহী হুঁশিয়ারি" - আবু ছালেহ (মাসিক আত-তাহরীক)
www.at-tahreek.com/article_details/8804
অথবা https://archive.is/wip/Zp5kh (আর্কাইভকৃত)
[8] আল কুরআন, আনকাবুত ২৯ : ২-৩
[9] আল কুরআন, বাকারাহ ২ : ১৫৫-১৫৭
[10] আল কুরআন, ইনশিরাহ ৩৪ : ৫-৬
[11] সহীহ বুখারী, হাদিস নং : ৫৬৪২