একটি চাবি ও একজন মহামানব

মুহাম্মাদ(ﷺ) এর নবুয়তের সত্যতা



 একটি চাবি। একজন মহামানব - যিনি ক্ষমা করতেন, সবসময়ে আমানতকে তার হকদারের কাছে ফিরিয়ে দিতেন। একজন আলোকিত মানুষ; যিনি সেই মহামানবের থেকে পেয়েছিলেন আলোর দিশা...

 

ইসলাম-পূর্বকালেও কা’বাঘরের খিদমত করাকে এক বিশেষ মর্যাদার কাজ মনে করা হত। কা’বার কোন বিশেষ খিদমতের জন্য যারা নির্বাচিত হত, তারা গোটা সমাজ তথা জাতির মধ্যে সম্মানিত ও বিশিষ্ট বলে পরিগণিত হত। সে জন্যই বাইতুল্লাহর বিশেষ খিদমত বিভিন্ন লোকের মধ্যে ভাগ করে দেওয়া হত। জাহেলিয়াতের আমল থেকেই হজের মৌসুমে হাজীদেরকে ‘যমযম’ কূপের পানি পান করানোর সেবা রাসুল(ﷺ) এর চাচা আব্বাস (রা.) এর উপর ন্যস্ত ছিল। একে বলা হত ‘সিকায়া’। একইভাবে, কা’বাঘরের চাবি নিজের কাছে রাখা এবং নির্ধারিত সময়ে তা খুলে দেওয়া ও বন্ধ করার ভার ছিল উসমান ইবন তালহার উপর।

 

উসমান ইবন তালহার নিজ জবানী থেকে—“জাহিলিয়াতের আমলে আমরা সোমবার ও বৃহস্পতিবার দিন বাইতুল্লাহর দরজা খুলে দিতাম এবং এবং মানুষ তাতে প্রবেশ লাভের সৌভাগ্য অর্জন করত।”

তিনি আরো বলেন, হিজরতের পূর্বে একবার রাসুলুল্লাহ(ﷺ) কয়েকজন সাহাবীসহ বাইতুল্লাহর উদ্যেশ্যে গেলে তিনি তাঁকে ভেতরে প্রবেশ করতে বাঁধা দিলেন।

মহানবী(ﷺ) অত্যন্ত ধৈর্য ও গাম্ভীর্য সহকারে উসমান ইবন তালহার কটূক্তিগুলো সহ্য করে নিলেন। এরপর বললেনঃ “হে উসমান, হয়তো তুমি একসময় এই বাইতুল্লাহর চাবি আমার হাতেই দেখতে পাবে। তখন যাকে ইচ্ছা এই চাবি অর্পণ করবার অধিকার আমারই থাকবে।”

উসমান ইবন তালহা বললেন, “তাই যদি হয়, তাহলে কুরাইশরা সেদিন অপমানিত-অপদস্থ হয়ে পড়বে!”

রাসুল(ﷺ) বললেনঃ “না, তা নয়। তখন কুরাইশরা হবে মুক্ত, তারা হবে যথার্থ সম্মানে সম্মানিত।”

... ... ...

উসমান ইবন তালহা বলেন, এরপর মক্কা বিজিত হয়ে গেলে রাসুল(ﷺ) আমাকে ডেকে বাইতুল্লাহর চাবি চাইলেন। আমি তা পেশ করে দিলাম। তখন তিনি পুনরায় আমার হাতেই সেই চাবি ফিরিয়ে দিলেন! আর বললেনঃ “এই নাও, এখন থেকে এ চাবি কিয়ামত পর্যন্ত তোমার বংশধরদের হাতেই থাকবে। অন্য যে কেউ তোমাদের হাত থেকে ফিরিয়ে নিতে চাইবে, সে হবে জালিম, অত্যাচারী।” [1]

 

এই ছিল মক্কা বিজয়ের পর রহমাতুল্লিল আলামিন মুহাম্মাদ (ﷺ) এর আচরণ। মক্কার সর্বময় ক্ষমতা তখন তাঁর হাতে। সেই কা’বার চাবির উপরেও তখন তাঁর পূর্ণ ক্ষমতা, অথচ তিনি চাবিটিকে সেই ব্যক্তির কাছে ফিরিয়ে দিলেন যিনি একসময় তাঁকে কটূক্তি করেছিলেন, তাঁকে কা’বাঘরে ঢুকতে দিতে চাননি। এই ছিল তাঁর আখলাক।

আর উসমান ইবন তালহা? সে আলোর পরশ অগ্রাহ্য করা তাঁর পক্ষে সম্ভব হয়নি। ইসলাম গ্রহণ করে তিনি পরবর্তীতে একজন বিশিষ্ট সাহাবীতে পরিনত হয়েছিলেন। রাদিয়াল্লাহু তা’আলা ‘আনহু; আল্লাহ তাঁর উপর সন্তুষ্ট হোন।

 

চাবির এই ঘটনাটির সাথে জড়িয়ে আছে কুরআনের একটি আয়াত। নবী মুহাম্মাদ(ﷺ) মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সবার সাথে ন্যায়পরায়নতার শিক্ষা এই পেয়েছিলেন তো স্বয়ং আল্লাহ(ﷻ)র কাছ থেকে। ‘জীবন্ত কুরআন’ নবী মুহাম্মাদ(ﷺ) আল্লাহর প্রতিটি আদেশ এভাবেই নিজের জীবন দ্বারা সবাইকে শিক্ষা দিয়ে গেছেন। আল্লাহুম্মা সল্লি‘আলা মুহাম্মাদ – তাঁর প্রতি আল্লাহর সলাত ও সালাম বর্ষিত হোক।

 

إِنَّ ٱللَّهَ يَأۡمُرُكُمۡ أَن تُؤَدُّواْ ٱلۡأَمَـٰنَـٰتِ إِلَىٰٓ أَهۡلِهَا وَإِذَا حَكَمۡتُم بَيۡنَ ٱلنَّاسِ أَن تَحۡكُمُواْ بِٱلۡعَدۡلِ‌ۚ إِنَّ ٱللَّهَ نِعِمَّا يَعِظُكُم بِهِۦۤ‌ۗ إِنَّ ٱللَّهَ كَانَ سَمِيعَۢا بَصِيرً۬ا

নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদেরকে নির্দেশ দিচ্ছেন আমানত তার হকদারকে ফিরিয়ে দিতে। আর যখন তোমরা মানুষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করবে, তখন ন্যায়পরায়নতার সাথে বিচার করবে। আল্লাহ তোমাদেরকে যে উপদেশ দেন তা কতই না উৎকৃষ্ট! নিশ্চয়ই আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বদ্রষ্টা।” [2]

 

ইবন আব্বাস(রা.) এবং মুহাম্মাদ ইবন হানাফিয়া(র.) বলেন যে, আয়াতটি মু’মিন ও মুশরিক উভয়ের জন্য। অর্থাৎ আয়াতে বর্ণিত আদেশ মুসলিম-অমুসলিম নির্বিশেষে সকলের জন্যই প্রযোজ্য হবে। [3]

 

 

সামুরা(রা.) থেকে বর্ণিত; রাসুলুল্লাহ(ﷺ) বলেছেনঃ

যে তোমাদের সাথে বিশ্বস্ততা প্রদর্শন করে, তুমি তার গচ্ছিত রাখা দ্রব্য তাকে ফেরত দাও; আর যে তোমার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করে, তুমি তার সাথে বিশ্বাসঘাতকতা করো না।”  [4]

 

আনাস(রা.) বলেন, “এমন খুব কম হয়েছে যে, রাসুল() কোন ভাষণ দিয়েছেন অথচ তাতে এ কথা বলেননি – “যার মধ্যে আমানতদারী নেই তার মধ্যে ঈমান নেই। আর যার মধ্যে প্রতিশ্রুতি রক্ষার নিয়মানুবর্তিতা নেই, তার দ্বীন নেই।”” [5]

 

উবাদাহ বিন সামিত(রা.) হতে বর্ণিত, রাসুলুল্লাহ() বলেছেন, ‘‘তোমরা তোমাদের পক্ষ থেকে আমার জন্য ছয়টি বিষয়ের জামিন হও, আমি তোমাদের জন্য জান্নাতের জামিন হয়ে যাব; কথা বললে সত্য বল, অঙ্গীকার করলে তা পালন কর, তোমাদের নিকটে কোন আমানত রাখা হলে তা আদায় কর, তোমাদের যৌনাঙ্গের হিফাযত কর, তোমাদের চক্ষুকে (অবৈধ কিছু দেখা হতে) অবনত রাখ, আর তোমাদের হাতকে (অন্যায় ও  অত্যাচার করা হতে) সংযত রাখ।’’  [6]

 

এমনই ছিল নবী মুহাম্মাদ(ﷺ) এর আদর্শ। আরবের মানুষের নিকট তাঁর পরিচয় ছিল ‘আল আমিন’ বা বিশ্বস্ত। চরম বিরোধীও তাঁর বিশ্বস্ততা নিয়ে কোনদিন প্রশ্ন তুলতে পারত না। অথচ এই মানুষটির নামে কালিমালেপন আর মিথ্যা অপবাদ দেবার জন্য আজ নাস্তিক-মুক্তমনা আর খ্রিষ্টান মিশনারীরা কতভাবেই না উঠেপড়ে লেগেছে। পশ্চিমা খ্রিষ্টান প্রচারক ডেভিড উড, স্যাম শামুন, জে স্মিথ কিংবা আমাদের দেশের মুক্তমনা ব্লগাররা কখনো  ইনিয়ে বিনিয়ে আবার কখনো চিৎকার করে এটাই বোঝাতে চান যে মুহাম্মাদ(ﷺ) কোন নবী ছিলেন না, তিনি ছিলেন একজন প্রতারক [নাউযুবিল্লাহ]। তিনি জোর করে সবাইকে মুসলিম বানিয়েছেন, তিনি অমুসলিমদের সাথে জঘন্য আচরণ করতেন [নাউযুবিল্লাহ্]। তিনি তাকিয়া করা(ধর্মের নামে মিথ্যা বলা), প্রতারণা করা এইসব শিখিয়েছেন [নাউযুবিল্লাহ]। সেই নবীর নামে তারা এগুলো বলে যিনি সর্বদা সত্যবাদিতা ও আমানতদারিতার নির্দেশ দিতেন [7],  এমনকি যিনি ছোট শিশুর সাথেও সান্ত্বনা দিয়ে মিথ্যা বলতে নিষেধ করতেন। [8] বিশেষ করে ইসলাম ও মুসলিমের ব্যাপারে তারা একটা কথা বারবার বলে – মুসলিমরা তাকিয়া করে বা ধর্মের নামে প্রতারণামূলক মিথ্যা বলে। এটা নাকি ইসলামের শিক্ষা! এন্টি ইসলামিক ফেসবুক পেইজ বা ব্লগগুলোতে গেলেই তারা মুসলিমদের বলে – “তোমরা তাকিয়া কর!” মজার ব্যাপার হচ্ছে তাকিয়া নামের এই জিনিসটার কথা আমি কোনকালে কোন মুসলিম আলেমের মুখে শুনিনি; এটা আমি প্রথম শুনেছি একটা বিদেশী নাস্তিক ফেসবুক পেইজের লোকজনের কাছে! ইসলামের নামে যা খুশী তাই আজ মানুষকে গেলানো হচ্ছে।

 

আমরা যদি কুরআন ও হাদিসের প্রতি দৃষ্টিপাত করি, নবী মুহাম্মাদ(ﷺ) এর সিরাত অধ্যায়ন করি, তাহলে আমরা ওদের প্রচারিত তথ্যের ঠিক ১৮০ ডিগ্রী বিপরীত চিত্র দেখতে পাবো। ২১ শতকের অজ্ঞ মুসলিম উম্মাহ আজ আর সিরাত অধ্যায়নের সময় পায় না, আলেম-উলামার কাছে গিয়ে দ্বীনের ব্যাপারে জানা ও পরামর্শ করার সময় বের করতে পারে না!! আর এর সুযোগ নিয়ে আজ ইসলাম বিদ্বেষীরা উম্মাহর মাথায় কাঁঠাল ভাঙছে। আর তাদের উদ্যেশ্যপ্রোণিত আংশিক, অস্পষ্ট এবং মিথ্যা তথ্য ও রেফারেন্স দেখে অনেক ঈমানহারা হচ্ছে। আল্লাহ মিথ্যার নিপাত করুন এবং সকলকে সত্য জানবার তৌফিক দিন।

 

যারা ইসলামের প্রতি বিদ্বেষ রাখেন ও মুহাম্মাদ(ﷺ) এর নবুয়তের প্রতি সন্দেহ পোষণ করেন, তাদের উদ্যেশ্যে কিছু চিন্তার খোরাক দিতে চাই—

 

১। মুহাম্মাদ(ﷺ) যদি স্রষ্টা থেকে প্রেরিত দূত নাই হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি কী করে সেই মাক্কী জীবনেই এই ভবিষ্যতবাণী করলেন যে একদিন তিনি কা’বার চাবির পূর্ণ অধিকার লাভ করবেন? এবং কুরাইশরা সে সময়ে(মক্কা বিজয়ের পরে) কোন প্রকারে লাঞ্ছিত হবে না এবং তারা যথাযথ সম্মানেই ভূষিত হবে? কিভাবে তিনি এত আগে মক্কা বিজয়ের পরবর্তী এই চিত্রগুলো বলে দিলেন? যখন তিনি এটা বলেছিলেন তখন তো কুরাইশরা অনেক শক্তিশালী অবস্থায় ছিল। আর মুসলিমের সংখ্যা ছিল নিতান্তই অল্প।

 

২। মুহাম্মাদ(ﷺ) যদি স্রষ্টা থেকে প্রেরিত দূত নাই হয়ে থাকেন, তাহলে তিনি কী করে উসমান ইবন তালহা(রা.)কে এটা বললেন যে—“এই নাও, এখন থেকে এ চাবি কিয়ামত পর্যন্ত তোমার বংশধরদের হাতেই থাকবে।...” আজ পর্যন্ত মুহাম্মাদ(ﷺ) এর একটা ভবিষ্যতবাণী দেখান যেটা মিথ্যা হয়েছে। আপনাদের ‘বিজ্ঞানমনষ্ক’(?) চেতনা এ ব্যাপারে কী বলে? [9]

 

৩। আপনারা কি দেখেছেন, উসমান ইবন তালহার সাথে মুহাম্মাদ(ﷺ) এর সহিষ্ণু আচরণ? মক্কা বিজয়ের পরে কুরাইশদের সাথে তাঁর ক্ষমাশীল আচরণ? আপনারা কি দেখেছেন কিভাবে মক্কা বিজয়ের পরে সারা আরব ইসলামের ছায়াতলে এসেছে? আপনারা এত একচোখা কেন? আপনারা কেন আপনাদের ওয়েবসাইট কিংবা বইতে এই ঘটনাগুলো উল্লেখ করেন না? হাদিস, তাফসির ও সিরাতগ্রন্থগুলোতে এমন অনেক ঘটনা আছে। কেন আপনারা  মুহাম্মাদ(ﷺ) এর নামে আংশিক, অসত্য কিংবা অপব্যাখ্যামূলক তথ্য উপস্থাপন করেন?

 

“সুতরাং যদি তারা আল্লাহর সাথে সত্য বলত, তাহলে তাদের জন্য এটা মঙ্গলজনক হত। [10]

 

“এবং তোমরা সত্যকে মিথ্যার সাথে মিশ্রিত করনা এবং জেনে শুনে সত্য গোপন করো না।” [11]

 

“…সত্যবাদী পুরুষ ও সত্যবাদিনী নারী... ... এদের জন্য আল্লাহ ক্ষমা ও মহাপ্রতিদান রেখেছেন। [12] 

 

 

তথ্যসূত্রঃ

[1]  তাবারানী ১১/১২০; কুরআনুল কারীম(বাংলা অনুবাদ ও সংক্ষিপ্ত তাফসির), ড.আবু বকর মুহাম্মাদ যাকারিয়া, ১ম খণ্ড; সুরা নিসার ৫৮নং আয়াতের তাফসির, পৃষ্ঠা ৪৩৬-৪৩৭

[2]  আল কুরআন, নিসা ৪:৫৮

[3]  তাফসির ইবন কাসির(হুসাইন আল মাদানী প্রকাশনী), ২য় খণ্ড, সুরা নিসার ৫৮ নং আয়াতের তাফসির

[4]  মুসনাদ আহমাদ ৩/৪১৪, আবু দাউদ ৩/৮০৫, তিরমিযী ৪/৪১৯

[5]  মুসনাদ আহমাদ ৩/১৩৫

[6]  মুসনাদ আহমাদ ২২৭৫৭, তাবারানী, ইবন খুযাইমাহ, ইবন হিব্বান,  হাকিম, সিলসিলাহ সহীহাহ ১৪৭০

[7]  ইবন মাসউদ (রা.) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসুলুল্লাহ(ﷺ)  বলেছেনঃ “তােমরা শুধু সত্য আঁকড়ে ধর। কেননা সত্যবাদিতা হচ্ছে সাওয়াবের কাজ। আর সাওয়াব জান্নাত পর্যন্ত পৌঁছে থাকে। যে ব্যক্তি সত্য কথা বলে এবং সত্যের জন্য মেহনত করে তার নাম আল্লাহর দফতরে সত্যবাদীরূপে লিখিত হয়। মিথ্যা কথা বলা থেকে সম্পূর্ণরূপে বিরত থাক। কেননা মিথ্যা পাপাচারের দিকে নিয়ে যায়। আর পাপাচার জাহান্নাম পর্যন্ত পৌছে দেয়। মানুষ যখন মিথ্যা কথা বলতে থাকে এবং মিথ্যাকে প্রতিষ্ঠিত করতে চেষ্টা করে তখন আল্লাহর দফতরে তার নাম ‘মিথ্যাবাদী' রূপে লিখে দেয়া হয়।'

[মুসনাদ আহমাদ ১/৩৮৪, ফাতহুল বারী ১/৫২৩, মুসলিম ৪/২০১২]

[8] আবদুল্লাহ ইবন আমির(র.) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমার মা আমাকে ডাকেন, যখন রাসুলুল্লাহ(ﷺ) আমাদের ঘরে অবস্থান করছিলেন । আমার মা আমাকে বলেনঃ তুমি এখানে এসো, আমি তোমাকে দেব। তখন রাসুলুল্লাহ(ﷺ)তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি তাকে কী দিতে চাচ্ছ ? তখন তিনি বলেনঃ আমি তাকে খেজুর দেব। এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ(ﷺ) বলেনঃ তুমি যদি তাকে কিছু না দিতে, তবে তোমার জন্য একটা গুনাহ লেখা হতো । {কারণ সেক্ষেত্রে কথাটি মিথ্যা হত।} [সুনান আবু দাউদ;  অধ্যায় ৪৩(আদব ও শিষ্টাচার), হাদিস নং : ৪৯৯১]

[9]  নবী(ﷺ) এ জিনিস বলার পর প্রায় দেড় হাজার অছর অতিক্রান্ত হয়েছে, কিন্তু আজ অবধি কা’বার চাবি উসমান ইবন তালহা(রা.) এর বংশের হাতেই ন্যাস্ত আছে।

■ “Sadin, Kaaba key keeper keeping tradition alive” (Arab News)

http://www.arabnews.com/saudi-arabia/sadin-kaaba-key-keeper-keeping-tradition-alive

■ “Guardianship of the Kaaba: A history of a profession inherited by one family” (al-Arabiya English)

http://english.alarabiya.net/en/features/2017/06/29/Discover-a-profession-inherited-by-a-family-until-the-end-of-times.html

■ “Mourning a Great Servant of the Ka'aba_ Sheikh Abdul-Aziz Al-Sheibi, The keeper of the key to its door __ Center for Islamic Pluralism”

http://www.islamicpluralism.org/1670/mourning-a-great-servant-of-the-kaaba

■ “The keepers of the Kaaba key” (MSN News)

https://www.msn.com/en-ae/news/middleeast/the-keepers-of-the-kaaba-key/ar-AArtS6u?li=BBqrVLO

[10]  আল কুরআন, মুহাম্মাদ ৪৭:২১

[11]  আল কুরআন, বাকারাহ ২:৪২

[12]  আল কুরআন, আহযাব ৩৩:৩৫